শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৯ কার্তিক ১৪২৭ 
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / তথ্যপ্রযুক্তি / ফেসবুকে কেনাকাটায় যেভাবে সতর্কতা অবলম্বন করবেন

ফেসবুকে কেনাকাটায় যেভাবে সতর্কতা অবলম্বন করবেন

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শীর্ষে থাকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। ৮ থেকে ৮০ এমন কাউকে হয়তো খুঁজেই পাওয়া যাবে না যে ফেসবুক নামটির সাথে পরিচিত নয়। ২০০৫ ফেসবুক প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই পর্যন্ত এর ব্যবহারকারী দিন দিন শুধু বেড়েছেই, কমেনি। ২০২০ সালের একটি জরিপে ফেসবুকের একটিভ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২.৮ বিলিয়ন (২,৮০০,০০০,০০০ জন) যেখানে পৃথিবীতে মোট জনসংখ্যা ৭ বিলিয়ন। সুতরাং, ফেসবুকের জনপ্রিয়তা কতটুকু সেটার সম্পর্কে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।

ফেসবুকে তৈরির সময় শুধুমাত্র অনলাইনে যোগাযোগের সুবিধাটি থাকলেও ধীরে ধীরে এর জনপ্রিয়তা ও ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে ফেসবুক এখন মানুষের এমন একটি আস্থার স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে যেখানে এখন মানুষ ব্যবসা করছে, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছ, চাকরি খুঁজছে ইত্যাদি ইত্যাদি কাজ করছে মানুষ এই ফেসবুক নামক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দ্বারা। খরচ কম ও অনেক বেশি সুবিধা থাকায় এখন অনেক ব্যবসায়ীরাই স্থানীয় ব্যবসার পাশাপাশি অনলাইনে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ঠিক তেমনি অনেক উদ্যোক্তারাও ব্যবসায় শুরুই করছেন অনলাইনের মাধ্যমে, প্রতিদিন শুরু হচ্ছে নতুন নতুন ব্যবসা এই ফেসবুককে কেন্দ্র করেই।

সাধারণত বাস্তব জীবনেই মানুষ কত ধরণের অপরাধের শিকার হয়ে থাকে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন ইত্যাদি। এত সুবিধা যেখানে মানুষ পাচ্ছে, যেখানে মানুষের বিচরণ ও ব্যবসা (ইন্টারনেটের মাধ্যমে) রয়েছে সেখানে তো অপরাধ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আসবেই। বাস্তব জগতে যেমন অহরহ অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে ঠিক তেমনি ভার্চুয়াল জগতেও অপরাধীদের অপরাধ করার প্রবণতার কমতি নেই বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ক্রাফ জানায় অনলাইন ব্যবসায় ও বিজনেস পেজে নিরাপদে থাকার কিছু উপায়-
১। হুটহাট করে লিংককে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে
২। কোন প্রকার অ্যাড বা পপ-আপ অ্যাডে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে (অ্যাড ব্লকের ইউজ করা যেতে পারে)
৩। দরকার ছাড়া কোন প্রকার অ্যাপ্লিকেশন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইন্সটল করবেন না
৪। অহেতুক ও ট্রাস্টেড কোন সফটওয়্যার কোম্পানি বা ডেভেলপারের সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটারে অন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার বা ইন্সটল না করা ভালো
৫। ভালো একটি এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা যেতে পারে কম্পিউটার বা মোবাইলে
৬। কারো সাথে আইডি পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন না
৭। ফোনের লগইন করা গুগল একাউন্টের ইমেইল ও পাসওয়ার্ড কখনোই কারো সাথে শেয়ার করবেন না
৮। ফোন বা ল্যাপটপ অন্য কারো হাতে দিবেন না
৯। কোন কিছু ডাউনলোড করার আগে যাচাই করে নিন
১০। অ্যাপ ও সফটওয়্যার ইন্সটলের সময় পারমিশন কী নিচ্ছে সেগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখুন, অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় কোন পারমিশন চাইলে সেটি ইন্সটল না করা ভালো
১১। যেসব ডিভাইসটির দ্বারা ব্যবসার কাজ পরিচালনা করা হয় সেগুলো সব সময় আপডেট রাখুন
১২। ডিভাইসের প্রতিটি ব্রাউজার আপ টু ডেট রাখুন
১৩। এমন কোন ওয়েবসাইটে লেনদেন বা জরুরি তথ্য আদান প্রদান করবেন যেসব ওয়েবসাইট ডাটা এনক্রিপশন করে না বা সহজে বলতে গেলে যেসব ওয়েবসাইটে “HTTPS” নেই; “HTTP”-এর শেষে “S” লেখাটি দেখে নিবেন
১৪। লোভনীয় কোন ই-মেইলে যাচাই-বাছাই ছাড়া ক্লিক করা ও লেনদেন করা যাবে না
১৫। ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত সব পাসওয়ার্ডে নম্বর; সিম্বল, ছোট-বড় হাতের অক্ষর মিলিয়ে তৈরি করুন
১৬। পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করা যাবে না; ইমারজেন্সি হলে ভিপিএন ব্যবহার করে করতে পারেন
১৭। জরুরি ডেটা ব্যাকআপ রাখুন; যাতে করে র‍্যানসামওয়্যার অ্যাটাক হলেও ডেটা পুনরুদ্ধার করা যায়
১৮। ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে না,
১৯। অপারেটিং সিস্টেম, অ্যান্টিভাইরাস ও সফটওয়্যার সব সময় আপডেট করতে হবে ও অ্যান্টিভাইরাসের রিয়েল টাইম প্রোটেকশন, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল অন রাখতে হবে
২০। ফেসবুকের ক্ষেত্রে ট্রাস্টেড কন্ট্রাক্ট ও টু-স্টেপ অথেনটিকেশন অন রাখতে হবে
২১। সবসময় সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে এবং হ্যাকার, হ্যাকিং ও সাইবার সিকিউরিটির কোন বিষয়ে হেয়ালি করা যাবে না।

error: Content is protected !!