শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭ 
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / খেলা / কার হাতে উঠবে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব? 

কার হাতে উঠবে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব? 

এই তো মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে মাশরাফি বিন মর্তুজা দল পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখন ওয়ানডেতে অধিনায়কশূন্য বাংলাদেশ। এর মধ্যে আগামী এপ্রিলে পাকিস্তানের করাচিতে টেস্টের আগে আছে একটি ওয়ানডে ম্যাচ। খুব প্রাসঙ্গিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই একমাত্র ওয়ানডেতে টিম বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন কে?

তার মানে চলে আসছে নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক নিয়োগের প্রশ্ন। এতকাল এ প্রশ্ন আসেনি। কারণ, ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে গত বছরেরর জুলাই মাসে শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি ছাড়া একটানা ৫ বছর ৪ মাস ওয়ানডেতে ক্যাপ্টেন্সি করেছেন মাশরাফি। কয়েকমাস আগে শ্রীলঙ্কায় ইনজুরির কারণে একটি মাত্র সিরিজে নেতৃত্ব দিতে পারেননি শুধু মাশরাফি। তিন ম্যাচের ওই সিরিজে তামিম ইকবাল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই তিন ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম করেছে। তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে তামিমের দল। একটি ম্যাচেও এতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুলতে পারেনি টাইগাররা। যথাত্রমে ৯১ রান, ৭ উইকেট আর ১২২ রানে পরজিত হয়েছে।

এখন যেহেতু মাশরাফি আর অধিনায়ক নন, তাই নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক মনোনয়ন বা নির্বাচনের প্রশ্ন এসে গেছে সামনে। খুব স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবার মনে প্রশ্ন, বাংলাদেশ দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক হবেন কে?

যেহেতু খেলা এপ্রিলে। এখনো প্রায় তিন সপ্তাহ বাকি। তাই হুট করে যে আজ-কালের মধ্যে অধিনায়ক মনোনয়ন করতে হবে, তাও নয়। তবে একটি বিশেষ কারণে আজ ৮ মার্চ রোববার বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের নাম ঘোষণা হয়ে যেতে পারে।

রোববার বিসিবি পরিচালক পর্ষদের সভা বসবে। ভাবা হচ্ছে সেই সভাতেই জাতীয় দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে।

বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের এক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ‘যেহেতু আজই বোর্ড পরিচালক পর্ষদের সভা, তাই রোববারই হয়ত নতুন অধিনায়ক মনোনয়নের কাজ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’

সাকিব আল হাসান সাসপেন্ড না থাকলে কোন কথাই ছিল না। আর কোন বিকল্প খুঁজতেও হতো না; কিন্তু সাকিবতো আইসিসি নিষেধাজ্ঞায় পড়ে মাঠের বাইরে।

তাই সাকিবকে এখন মাশরাফির চেয়ারে বসানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে এটা নিশ্চিত করেই বলে দেয়া যায়, নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হয়ে মাঠে ফিরলে সাকিবই হবেন ওয়ানডে অধিনায়ক। এখন যাকেই করা হোক, তিনিও পুরোদস্তুর বা দীর্ঘ মেয়াদের ওয়ানডে ক্যাপ্টেন হবেন না।

যাকেই করা হোক বা দায়িত্ব দেয়া হোক না কেন, তিনি খুব দীর্ঘ সময়ের জন্য দল পরিচালনার সুযোগ পাবেন না। সাকিবের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ওঠার আগ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছয়-সাত মাসের জন্য দায়িত্ব পেতে পারেন।

এখন প্রশ্ন উঠেছে এই সময়ের জন্য ওয়ানডে অধিনায়ক হবেন কে? বোর্ড কি আপাততঃ তিন পরিণত অভিজ্ঞ ও সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম কিংবা তামিম ইকবালের কাউকে বেছে নেবে? নাকি ভবিষ্যতের কথা ভেবে তরুণ কাউকে এখন থেকে দায়িত্ব দিয়ে আগামী দিনের জন্য তৈরি করার পরিকল্পনা করা হবে?

error: Content is protected !!